স্বাস্থ্য

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, সাময়িক বরখাস্ত চিকিৎসক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, সাময়িক বরখাস্ত চিকিৎসক
শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, সাময়িক বরখাস্ত চিকিৎসক
এই সংবাদটি শুনুন বাংলা
1 মি.

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আকস্মিক পরিদর্শনে চিকিৎসক রফিকুল ইসলামকে কক্ষে ধূমপান করতে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এক চিকিৎসককে নিজের কক্ষে ধূমপান করতে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় কক্ষটির অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও তাঁর নজরে আসে। পরে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এদিন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

আকস্মিক পরিদর্শনে হাসপাতালের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে শুরু হওয়া পরিদর্শন চলে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে পরিদর্শনের একপর্যায়ে সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের কক্ষে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে চিকিৎসককে ধূমপান করতে দেখার পাশাপাশি কক্ষের অপরিচ্ছন্নতা লক্ষ করেন তিনি। এরপর হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নের নির্দেশ

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর আরও কয়েকটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যান। এর মধ্যে ছিল উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

এ ছাড়া রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় ও সরকারি বাংলা কলেজ পরিদর্শন করেন তিনি। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কয়েকটি আবাসিক এলাকাও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত দিন সময় দেওয়া হয়। আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য দেওয়া হয় দুই সপ্তাহের সময়।

হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ এবং দায়িত্বশীল আচরণ রোগী ও স্বজনদের আস্থা বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ কারণে চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত তদারকি ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার বিষয়টি জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

সূত্র: প্রথম আলো ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তি।

Comments

You must be logged in to post a comment.