কুমিল্লার তিতাসে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকসহ ১০ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
কুমিল্লায় নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের মামলায় কারাগারে ১০ জন
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় দলীয় নেতা ও সাংবাদিকসহ ১০ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর এ আদেশ দেওয়া হয়।
কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার তিতাস উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক জুয়েল রানা।
যেভাবে করা হয় মামলাটি
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে, ১০ ফেব্রুয়ারি, কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়ার তিতাস উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামের অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ধানের শীষের সমর্থক মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন। মামলায় মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে এজাহারের বরাতে জানিয়েছে প্রথম আলো।
সাংবাদিকের পরিবারের দাবি
মামলার অন্যতম আসামি সাংবাদিক জুয়েল রানার বাবা জহিরুল ইসলাম দাবি করেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে তাঁর ছেলে জড়িত নন। তিনি মামলাটি নিরপেক্ষভাবে পুনরায় তদন্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিচার বিভাগের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
এটি আসামিপক্ষের পরিবারের বক্তব্য। মামলার অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায় প্রমাণিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
সূত্র: প্রথম আলো। মূল প্রতিবেদন পড়ুন।
You must be logged in to post a comment.